বাংলাদেশে নতুন ১০ জাত ধানের অনুমোদন

১৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৫:০৪ পিএম

ফাইল ছবি

Runner Media

ডেস্ক রিপোর্ট :


বোরো মৌসুমে চাষের জন্য ধানের ১০টি জাতের নিবন্ধন ও ছাড়করণ হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত দুটি জাত, বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত একটি জাত, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্র্যাক উদ্ভাবিত একটি উচ্চ ফলনশীল জাত ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ছয়টি হাইব্রিড জাতের নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় বীজ বোর্ডের ১০৬তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জাতীয় বীজ বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সায়েদুল ইসলাম এতে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় কৃষিসচিব বলেন, হাইব্রিডের ফলন বেশি। স্বল্প জমি থেকে বেশি উৎপাদনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় এখন হাইব্রিডের জাত উদ্ভাবন ও আবাদ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ পর্যন্ত ২১৮টি জাতের নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে আরও মানসম্পন্ন ও দীর্ঘ সময় ধরে কৃষককে লাভবান করবে, এমন জাত নিবন্ধনে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

ব্রি উদ্ভাবিত ছাড় করা ব্রি ধান ১০১ ব্যাকটেরিয়াজনিত পোড়া রোগ প্রতিরোধী ও ব্রি ধান-১০২ জিংকসমৃদ্ধ। ট্রায়ালে ব্রি ধান ১০১–এর গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৭ দশমিক ৭২ মেট্রিক টন, আর ব্রি ধান ১০২–এর ৮ দশমিক ১১ মে. টন। ব্রি ধান ১০২ ধানে জিংকের পরিমাণ প্রতি কেজিতে ২৫ দশমিক ৫ মিলিগ্রাম। বিনা উদ্ভাবিত বিনা ধান ২৫ ট্রায়ালে গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৭ দশমিক ৬৪ মে. টন পাওয়া গেছে। এ জাতের চাল অতি লম্বা ও সরু, ভাত সাদা, ঝরঝরে ও সুস্বাদু। ১৪৫ দিনে তা পরিণত হয়।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্র্যাক উদ্ভাবিত ব্র্যাক ধান-২–এর গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৭ দশমিক ৩৬ মে. টন। দানা চিকন, সুগন্ধযুক্ত ও আগাম জাত। ১৩৯ দিনে এটি পরিণত হয়। এ ছাড়া বেসরকারি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ছয়টি হাইব্রিড ধানের ফলাফল পুনরায় পর্যালোচনা করে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে।

সভায় মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (বীজ) আবদুল্লাহ সাজ্জাদ, অতিরিক্ত সচিব কমলারঞ্জন দাশ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মো. বখতিয়ার, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) চেয়ারম্যান এ এফ এম হায়াতুল্লাহ, ব্রির মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর, বিনার মহাপরিচালক মির্জা মোফাজ্জল ইসলামসহ বীজ বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আর এম/ এম আর