জেনে নিন ওমিক্রনের ২০টি প্রধান লক্ষ্মণ

১৭ জানুয়ারি ২০২২, ১২:৩৫ পিএম

Runner Media

যুক্তরাজ্য অফিস

 

মহামারী করোনা যখন শুরু হয় তখন বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন এই মহামারী খুব বেশি দিন স্থায়ী হবেনা। কিন্তু তাদের সব ধারণা পালটে দিয়ে ইতিমধ্যে করোনা মহামারী দুই বছর সময়কাল অতিক্রম করেছে। এই সময়ে করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট যেমন এসেছে তেমনি ব্যাপকভাবে বেড়েছে মানুষের মৃত্যু। সময়ে সময়ে হয়তো কিছুটা নিয়ন্ত্রণে ছিল এই মহামারী। কিন্ত নিয়মিত বিরতিতে নতুন সব স্ট্রেইন বদলে দিয়েছে করোনার রূপ। ফলে বিদ্যমান চিকিৎসা ব্যবস্থা কিংবা টিকাও অনেক ক্ষেত্রে বিফলে গেছে। করোনার সবশেষ ভ্যারিয়েন্ট হলো ওমিক্রন। এটি করোনার এ যাবত সবচেয়ে বেশি সংক্রমনশীল ভ্যারিয়েন্ট। প্রতিনিয়ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লাখ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে ওমিক্রনে।

মিররের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ব্রিটেনে ৪৭ লাখ ওমিক্রনে আক্রান্ত মানুষের মধ্যে গবেষণা চালিয়ে ওমিক্রনের লক্ষ্মণ গুলো বিশ্লেষণ করা এবং এর সঠিক অবস্থাগুলো বের করার চেষ্টা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিশেষজ্ঞরা ওমিক্রনের ২০ টি প্রধান লক্ষ্মণ বের করেছেন।

এই গবেষণায় অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞ প্রফেসর টিম স্পেকটর বলেন, পিসিআর টেস্টে ৫০ শতাংশ মানুষের ঠান্ডা জাতীয় সমস্যা দেখা দিয়েছে। সোশ্যাল ডিস্টান্সিং কিংবা বিধিনিষেধ মানা কিংবা মাস্ক ব্যবহারেও ঠান্ডা জনিত ফ্লু সমস্যা খুব বেশি কাটেনি। ওমিক্রনের ক্ষেত্রে লক্ষ্মণ গুলো ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে কম স্থায়ী হয়। মোটামুটি প্রথম সাতদিনের মধ্যেই ওমিক্রনে আক্রান্ত হলে সব লক্ষ্মণ পরিস্কার হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে ৫ দিন পরেও ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্টের রেজাল্ট নেগেটিভ আসে। যা ওমিক্রনের দ্রুততাই নির্দেশ করে।

ওমিক্রনের ২০টি লক্ষ্মণ হলো- মাথা ব্যথা, নাক দিয়ে তরল পতিত হওয়া, অবসাদ, হাঁচি দেওয়া, গলা ব্যথা, স্থায়ী কফ, ফ্যাঁসফ্যাঁসে কন্ঠস্বর, শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, কাঁপুনি, জ্বর, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখের স্বাদ পালটে যাওয়া, চোখে ব্যথা, পেশিতে ব্যথা, ক্ষুদামন্দা, খাবারের রুচি কমা, বুকে ব্যথা, জিহবা বড় হওয়া, অস্থির লাগা এবং হ্যালুসিনেশন।

আর এম/এম.জে